মূল রচনা থেকে অংশ:

নুঁুৃরয় এলো যেন। এমন সে কমই দেখেছে, তাকে এউবস্থায় এ যুবকটি ক্রোনেন্িকম কৃৎসিং ইতি বারনমিস _লুসী তাকিয়ে রইলো বনহুরের ঘুমন্ত মুখের দিকে । এমন-ভাবেমিস নুসী ওক কোনোদিন দেখেনি । বড় ভালো লাগলো ওকে! সুন্দর বলিষ্ঠ]কতক্ষণ লুসগীতাঁকিয়ে'ছিলো বনহুরের ঘুমন্ত মুখের দিকে খেয়াল নেই।হঠাৎ দেখলো সে....চলন্ত গাড়িখানার দরজা খুলে গেলো আস্তে করে!একটা গালপাট্টাবাধা লোক প্রবেশ কর গাড়ির রধ্যে। লোকটার তাতেসুতীক্ষধারএকটা ছোরা, ক্যাবিনের আলোতে ঝকঝক করে |মিস লুসী চিৎকার করতে যাবে ঠিক সে মুহুর্তে লোকটা লুসীর মুখ বামহস্তে চেপে ধরলো । তবু একটা আর্তনাদের ক্ষীণ শব্দ বেরিয়ে এলো লুসীরমুখ থেকে।ঘুম ভেংগে গেলো বনহুরের । তাকিয়েই উঠে বসলো বিদ্যুৎ গতিতে ।সঙ্গে সঙ্গে চোখ আগুনের ভাটার মত।ডাকু তখন জুদীকে চেপে স্বরে তার বুকের কাছে সৃতীক্ষধারছোরাখানা উদ্যত করে ধরেছে।বৃূনহুর সহসা এগুতে পারলো না, কারণ সে এতোটুকু অগ্রসর হলেইদুবৃর্তু লুসীরু বুকে ছোরা বসিয়ে দিতে কসুর করবে না।দাতে দাত পিষে বনহুর বললো__কৌন্‌ সাহসে তুমি এ কামরায় প্রবেশকরেছো?ডাকুও তেমনি কঠিন কণ্ঠে জবাব দিলো-__এ কামরা শুধু তোমার জন্যনয়। তাছাড়া লুসীকে নিয়ে তুমি কোথায় ভাগছো শুনি?বনহুর অবাক হলো, তাহলে নতুনুষ্টলোকমনয়। সেলীতিমতলুসীকে চেনে । বনহুরের তখানা মুষ্টিবদ্ধ হলো; বললো সে-_লুসীকে তুমি চেনো দেখছি!