মূল রচনা থেকে অংশ:

করলেন। জিনিসপত্রগুলি হল খুব সস্তা ধরনের কিস্তু তাতে মিশে গেল আমারবাবা এবং মা'র ভালবাসা । আমি জানতাম ভালবাসার এই কল্যাণময় স্পর্শেইআমার অনিশ্চয়তা, হতাশা কেটে যাবে।বউ নিয়ে বাসায় ফিরে বড় ধরনের চমক পেলাম। আমার শোবার ঘরটিঅসম্ভব সন্দর করে সাজিয়ে দিয়েছে আমার ছোট বোন। আমাদের কোন ফ্যানছিল না। কিন্তু আজ মাথার উপর ফ্যান ঘুরছে। বিছানায় কি সুন্দর ভেলভেটেরচাদর। খাটের পাশে দুটি সুন্দর বেতের চেয়ার। বেতের চেয়ারের পাশে ছোট্টএকটা টেবিলে একগাদা রক্ত গোলাপ। গোলাপের পাশে একটা চিঠিও পেলাম।মেজো বোন শিখুর লেখা চিঠি _“দাদা ভাই,তুমি যে সব গান পছন্দ করতে তার সব কণ্ট টেপ করা আছে। কথাবলতে বলতে তোমরা যদি ক্লান্ত হয়ে পড় তাহলে ইচ্ছা করলে গান শুনতেপার। দরজার কাছে একটা ক্যাসেট প্রেয়ার রেখে দিয়েছি।”ক্যাসেট প্রেয়ার চালু করতেই সুচিত্রা মিত্রের কিন্নর কণ্ঠ ভেসে এল -_ভালবেসে যদি সুখ নাহি তবে কেন, তবে কেন মিছে এ ভালবাসা?গভীর আবেগে আমার চোখে জল এসে গেল। আমি সেই জল গোপনকরবার জন্যে জানালা দিয়ে তাকিয়ে বললাম, কেমন লাগছে গুলতেকিন?সে নিচু গলায় বলল, বুঝতে পারছি না। কেমন যেন স্বপ্র-স্বপ্নু লাগছে।“ঘুম পাচ্ছে?“নী।সারারাত আমরা গান শুনে কাটিয়ে দিলাম। দু'জনের কেউই কোন কথাখুজে পাচ্ছিলাম না। গান শোনা ছাড়া উপায় কি?পরদিন ভোরবেলা খুব দুঃখজনক ব্যাপার ঘটল। যাদের বাসা থেকে সিলিংফ্যান ধার করে আনা হয়েছিল তারা ফ্যান খুলে নিয়ে গেল।গুলতেকিন বিস্মিত হয়ে বলল, ওরা আমাদের ফ্যান খুলে নিচ্ছে কেন?আমি মাথা নিচু করে রইলান। জবাব দিতে পারলাম না। বিছানার চমৎকারচাদর, বেতের চেয়ার, ক্যাসেট প্রেয়ার সবই তারা নিয়ে গেল। এমন কি টেবিলেরাখা সুন্দর ফুলদানিও অদৃশ্য। গুলতেকিন হতভম্ব। সে বলল, এসব কি হচ্ছেবলুন তো? ওরা আমাদের জিনিসপত্র নিয়ে যাচ্ছে কেন? আমরা বুঝি রাতে গান