মূল রচনা থেকে অংশ:
আমি উঠোনে গিয়ে বললাঘ, আপা ভাইয়ার জ্বর নেমে গেছে।দুলু আপা যেন আমার কথা শুনতে পাননি এমন ভাঙ্গতে বললেন, রেনু দাড়িয়েদাড়িয়ে জোছন। দেখছিলাম। কি সুন্দর জোছন| হয়েছে দেখেছিস? দুলু আপারভাবটা এমন যেন সারাক্ষণ তিনি জোছনা দেখার জন্যেই দাড়িয়ে ছিলেন। ভায়াজর কমল কি না কমল সে ব্যাপারে তার কোন আগ্রহ নেই।কি কথা থেকে, কি কথায় চলে এসেছি __ শুরুতে কি বলছিলাম যেন? ওআচ্ছ! -- আয়না। হ্যা আমাদের বাসায় কোন আয়না নেই। তিন মাস ধরেই নেই।এবং এই নিয়ে কারো কোন মাথা ব্যথাও নেই। ভাইয়। বরং একটু খুশী। আমাকেবলল, আনা লা থাকার একটা বর সুশা কি জানিনা রোজ নিজেকে দেখতে হয়না। মানুষ শিজেকে যেমন ভালবাসে নিজেকে তৈমন ঘৃণাও করে। ঘৃণার মানুষটাকেরোজ দেখতে হচ্ছে না এট! আনন্দের ব্যপার না?আয়ন! না থাকার কষ্ট মীরা ভাসার সবচে" বেশী হওয়ার কথা। সুন্দরীবার নিজেকে দেখতে চায়। রুপবখথার রাজকন্যাদের মত আয়নার দিকে জাকয়েসনে সনে বলে বল তে সুবল কে আসার ডেযে? কত আলারেও নিরসনে ভুলে জাহি। সতত তি লো গেছি।লাগছে। জার ব্যাপার কি জানিস ভূ স জুল গিয়ে ভালইক দৃস্মাস এগারো দিন পর, আমাদের বাসায় নতুন আয়না এল। বাব! কাঠেরফ্রেমের বেশ বড় সড় একটা আয়না নিয়ে অনেকদিন পর উদয় হলেন এবং হাসিমুখেললেন _- খবর সব ভাল?সেই আয়না বারান্দায় টানানে। হল। আমি আয়নার সামনে দীড়িয়ে অবাক হয়েদেখি দুষ্ট] মুখ দেখা যাচ্ছে।বাব৷ বিশ্মিত হয়ে বললেন, এরকম হচ্ছে কেন? আমি তে৷ দেখে শুনেইকিনলাম। বদলানোর তে। কোন উপায় নেই, বদলাতে হলে চিটাগাং যেতে হয়।চিটাগাং থেকে কেনাভাইয়া বলল, বদলানোর দরকার কি? একটার জায়গার দৃষ্ট। মুখ দেখ! যাচ্ছে।ভালই তো। একের ভেতর দুই। ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হল -_ একটা মুখকে হাসিখুশীদেখায় অন্যটা গস্তীর। জ্যাকেল এগু হাইড।হো হো করে হাসতে হাসতে বলনে , ফানি ম্যান। ভেরি ফানি ম্যান। *১0