Badshai Namdar

মূল রচনা থেকে অংশ:

হুমায়ুন মীর্জা ঘোড়া থেকে নেমে এগিয়ে আসছেন। তিনি বাবারসামনে এসে নতজানু হয়ে দাড়ালেন। তার হাতে নীল রেশমি রুমালেকী যেন লুকানো । বা হাতে রুমাল রেখে ডান হাতে তিনি নিজের কপালস্পর্শ করে সেই হাতে ভূমি স্পর্শ করলেন। তিনবার এই কাজটি করেকুর্নিশ পর্ব শেষ করা হলো।বাবর বললেন, পুত্র, তোমার হাতে কী ?হুমায়ূন বললেন, সামান্য উপহার ।পিতার প্রতি পুত্রের উপহার কখনোই সামান্য না।হুমায়ুন বললেন, অতি মহার্ঘ উপহারও মহাপুরুষের কাছেসামান্য |বাবর প্রীত হলেন । কবিতার এই চরণটি তার লেখা । পুত্র মনেকরে রেখেছে এবং সময়মতো বলতে পেরেছে । বাবর বললেন, উপহারদেখাও ।চেয়েও বড় একটা হীরা । সূর্যের আলো হীরাতে পড়েছে। মনে হচ্ছেহাতে আগুন লেগে গেছে। বাবর মুগ্ধ গলায় বললেন, বাহ্‌!হুমায়ুন মীর্জা বললেন, এই হীরার নাম কোহিনুর । এর ওজন আটমিস্কাল্‌। বলা হয়ে থাকে এই কোহিনূরের মূল্যে সারা পৃথিবীর সকলমানুষ দু'দিন পানাহার করতে পারবে ।এটা কি সেই কোহিনুর যা স্মাট আলাউদ্দিন খিলজি ভারতেএনেছিলেন ?এটি সেই কোহিনূর । আপনি হাতে নিলে আমি খুশি হব।সম্রাট বাবর হীরকখণ্ড হাতে নিলেন। মুগ্ধ চোখে কিছুক্ষণদেখলেন। তারপর বললেন, পুত্র তোমার উপহার পেয়ে আমি খুশি১৯২