Brikkhakatha

মূল রচনা থেকে অংশ:

গাজাপশ্চিমবঙ্গের এক বিখ্যাত ওউপন্যাসিক নুহাশ পল্লীতে বেড়াতে এসেছিলেন । তিনিনুহাশ পল্লীর ওষধি বাগান দেখে এক পর্যায়ে জানতে চাইলেন, গাজার গাছ আছেকি-না? আমার মন খারাপ হলো এই তেবে যে এত গাছ জোগাড় করেছি, গাজারগাছ জোগাড় করতে পারি নি! এর পর যাকেই পাই তাকেই বলি, একটা গাজারগাছ জোগাড় করে দিতে পারেন ? যাকে বলা হয় তিনি কেমন করে যেন তাকান ।তাঁকে দোষ দিতে পারি না__ কেমন কেমন করে তাকাবারই কথা । গীজা নিয়েরয়েছে বিখ্যাত লোকজ গান__“গাজার নৌকা শূন্যের ভরে যায়'অর্থ গঞ্জিকাসেবীর নৌকা পানিতে চলে না, শূন্যে উড়াল দিয়ে চলে ।শিবের প্রিয় বস্তু গাজা এবং ভাং। বর্তমানের অনেক তরুণ-তরুণী শিবেরপথ ধরেছেন, গাজা খাচ্ছেন। তবে তাদের আদর্শ শিব না__ পশ্চিমা দেশগুলিরতরুণ-তপ্ণী | যেহেতু তারা 01855 খাচ্ছে, কাজেই আমাদেরও খেতে হবে।বছর পনেরো আগে আমি সুসং দুর্গাপুর গিয়েছিলায় | সন্ধ্যা মেলাবার বেশঅনেকক্ষণ পর শাখের আওয়াজ হতে লাগল । থেমে থেমে শাখের আওয়াজ ।আমাকে বলা হলো, গাজা খাওয়ার জন্যে ডাকছে । গঞ্জিকাসেবীরা এই আওয়াজশুনে একত্রিত হবেন এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই আনন্দময় ভুবনে €1) প্রবেশকরবেন । কাছে গিয়ে দৃশ্যটা দেখার শখ ছিল । আমাকে বলা হলো, কাছে গেলেইখেতে হবে ।গাছটির বোটানিক্যাল নাম 0578//5 5211211. গোত্র 0071580989. শুভসংবাদ হচ্ছে, এই গোত্রের আর কোনো গাছেরই মাদক গুণ নেই।গাজা গাছের স্ত্রী-পুরুষ আছে । দুই ধরনের গানেই ফুল হয়। তবে শুধু স্ত্রীগাছই গাজা, ভাং এবং চরস দেয়। পুরুষ গাছের মাদক ক্ষমতা নেই । ধিক পুরুষগাজা বৃক্ষ!স্ত্রী গাছের শুকানো পাতাকে বলে সিদ্ধি বা তাং। কালীপুজায় ভাং-এর শরবতঅতি আবশ্যকীয় বন্তু। ভাংএর শরবত কী করে বানাতে হয় সেই রেসিপিজোগাড় করেছি। সংগত কারণেই দিচ্ছি না৷ এই শরবত ভয়ঙ্কর হেলুসিনেটিংদ্রাগ। ট্রাকের পেছনে যেমন লেখা থাকে ১০১ হাত দূরে থাকুন, ভাং-এর শরবত৯৬