মূল রচনা থেকে অংশ:

মুহাব্বত আলি কফির কাপে শব্দ করে চুমুক দিল। মা থাকলে ভুরুকুঁচকে তাকাতেন। শব্দ করে যে-কোনো জিনিস খাওয়াই অজদ্রতা ।রনি মানুষটার দিকে তাকিয়ে আছে। মুহাব্বত আলি এবার তাকালেনরহিমার মা'র দিকে । গন্তীর গলায় বললেন, রহিযার মা শোনো । তোমারম্যাডাম বলেছিল একশ' টাকা দেবেন। দোতলায় উঠে মনে হয় ভুলেগেছেন। দোতলার মানুষ একতলার মানুষকে সহজে ভূলে যায় । তুমি উনারকাছ থেকে টাকাটা নিয়ে এসো । আমি চলে যাব ।রহিমা বুয়া বিরক্ত ুখে চলে যাচ্ছে । বিড়বিড় করে আবার কী যেনবলল । রনি বুঝতে পারছে না রহিমা বুয়া এত বিরক্ত হচ্ছে কেন? এত বিরক্তহবার মতো কিছু তো এই মান্ষটা বলে নি।রনির মনে ছোট্ট একটা খটকাও লাগছে- মানুষটা রহিযা বুয়ার নামজানল কীভাবে? এত সহজভাবে বলেছে যেন রহিমা বুয়াকে সে অনেকদিনখেকে চেলে।রনি মুহাব্বত আলির দিকে তাকিয়ে বলল, আপনাকে আমি কী ডাকব?কিছু ডাকতে হবে না। আমি যদি তোমার আর্ট টিচার হতাম. তাহলে স্যারডাকতে বলতাম ।রনি বলল, আপনি রহিমা বুয়ার নাম জানলেন কীভাবে?সুপারম্যানদের মতো ক্ষমতা-টমতা আছে। এসবের কোনো কারবারইনিয়েছি ।কেন?বলা তো যায় না কখন কোন কাজে লাগে । কাজে তো লাগল ৷ রহিমাবুয়াকে ডাকতে পারলাম । ভালো কথা, তোমার মা টাকা পাঠাতে দেরিকরছে কেন? দেবে না নাকি?একবার যখন বলেছে তখন দেবে ।তাহলে অপেক্ষা করি, কী বলো?অপেক্ষা করুন ।টিভিটা ছাড়ো তো, বসে বসে টিভি দেখিএখন টিভি ছাড়লে মা রাগ করবে ।