Dui Duari

মূল রচনা থেকে অংশ:

"এষা একটু চিন্তিত বোধ করল। বাবার সিগারেট শুরু করা মানে তার ওষুধেরকারখানায় বড় ধরনের কোন সমস্যা। যে সমস্যা নিয়ে তিনি কখনো কারো সঙ্গেকথা বলেন না।'সাবেরের খবর কি রে?“দাদা ভালই আছে। একটা নর-কংকাল কিনে এনেছে। অস্থিবিদ্যা যাশিখেছিল সব ভূলে গেছে। আবার নতুন করে না-কি শিখতে হবে?মৃতিন সাহেব গন্তীর হয়ে গেলেন। এষা বলল, মার সঙ্গে দাদাকেও নিয়েযাও। তাকেও কোন একজন বড় সাইকিয়ান্রিন্ট দেখানো দরকার। আরেক কাপচা দেব বাবা?'শা।,'তুমি আবার সিগারেট ধরিয়েছ। তোমার কারখানায় কি কোন সমস্যা হচ্ছে?মতিন সাহেব এই প্রশ্নেরও জবাব দিলেন না। মনে হল তিনি শুনতে পাননি। এষাবলল, তুমি তো এঁ লোকটা সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞেস করলে না।'কোন লোকটা £'ধ ষে যাকে নিয়ে এসেছ। গ্যামনেশিয়া হয়েছে।“ওর কোন খবর আছে না-কি?না। দিব্যি খাচ্ছে দাচ্ছে,ঘুমচ্ছে। মনে হচ্ছে এ বাড়িতে সে সুখে আছে'কারো সঙ্গে কথা-উথা বলে না?“নিজ থেকে বলে না। কেউ কিছু বললে খুশী হয়ে জবাব দেয়। আজ দুপুরেইউনিভার্সিটি থেকে ফিরে দেখি সে কাঠাল গাছের নিচে বসে মিতুর সঙ্গে লুডুখেলছে।“তুই কি কথা বলেছিস?'না। কথা বলতাম। কিন্তু লোকটাকে আমার কেন জানি পাগল মনে হয়।চোখের দৃষ্টি যেন কেমন।“আরে দূর __ চোখের দৃষ্টি ঠিকই আছে। লোকটা কিছু মনে করতে পারছেনা এই জন্যে তুই ভয় পাচ্ছিস। তোর কাছে মনে হচ্ছে লোকটা পাগল। তুই বরলোকটার সঙ্গে কথা বল।কেন?“কথা বললে বুঝতে পারবি __ তার ব্যাকগ্রাউণ্ড কি? কি ধরনের ফ্যামিলিথেকে এসেছে। পড়াশোনা কি। এতে লোকটাকে ট্রেস করতে সুবিধা হবে।”