মূল রচনা থেকে অংশ:
নেই । কোথায় গেছে তাও কাউকে বলে যায়নি । রুস্তম খেতে বসে দেখবেতার বোন নেই । বেচারার মনটা নিশ্চয়ই খারাপ হবে।রুস্তম নিঃশব্দে দুলাভাইয়ের সঙ্গে দুপুরের খাবার খেল । তার পছন্দেরসব আইটেমই ছিল। যেমন- তেলচুপচুপ ইলিশ মাছের ভাজি, কচুর লতিদিয়ে চিংড়ি মাছ, ছোট মাছের টক, টাকি মাছ দিয়ে মাষকলাইয়ের ডাল ।আমিন বললেন, সবচেয়ে ভালো আইটেম কোনটা হয়েছে?রুস্তম বলল, আপনি যেটা রেধেছেন সেটা ।আমি কোনটা রেঁধেছি?মাষকলাইয়ের ডাল।আমিন বিস্মিত হয়ে বললেন, বুঝলে কী করে?রুস্তম জবাব দিল না। আমিন রুস্তমের এই বিষয়টা জানেন। রুস্তমকিছু কিছু বিষয় না জেনেই বলতে পারে । তিনি যখন হংকং শু প্যালেসকিনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন, সেদিনই রুস্তমকে বললেন, একটা নতুনব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছি । কেমন হবে বুঝতে পারছি না।রুস্তম বলল, এই ব্যবসা ভালো হবে।জুতার ব্যবসা ।বুঝলে কিভাবে?মনে হয়েছে।তুমি তো দিন দিন পীর-ফকিরের পর্যায়ে চলে যাচ্ছ। তোমারকথাবার্তায় মাঝে মধ্যে এমন অবাক হই।খাওয়া শেষ হওয়ার আগেই হাফিজ মিয়া রসমালাই এবং টকদই নিয়েউপস্থিত হলো । রাস্তায় বাস এক্সিডেন্টের কারণে চার ঘণ্টা রোড ব্লক ছিলবলে দেরি হয়েছে।আমিন অত্যন্ত আনন্দিত । রসমালাই শেষ পর্যন্ত এসে পৌছেছে । তিনিরুস্তমের বাটিতে রসমালাই এবং দই দিতে দিতে বললেন, তোমার বুবুথাকলে ভালো হতো। কোথায় যেন গেছে। বলেও যায়নি । মোবাইলটেলিফোন করছি, ধরছে না।রুস্তম স্বাভাবিক গলায় বলল, বুবু পালিয়ে গেছে । আর ফিরবে না।আমিন হতভম্ব গলায় বললেন, তুমি কী বললে?রুস্তম বলল, আপনার গায়ে ঘামের গন্ধ । বুবুর পছন্দ না। অনেকেথাকে এ রকম । তারা দুর্গন্ধ সহ্য করতে পারে না।একটি সাইকেল-২ ৯৭
Recent Comments