মূল রচনা থেকে অংশ:
অপরাধ অবশ্যই গুরুতর | শওকত অবাক হয়ে দেখল, কিছুক্ষণের মধ্যেসব স্কাভাবিক । আনিকার বাবা মতিয়ুর রহমান টিভি ছেড়েছেন। সেখানে তারাচ্যানেলে উত্তম-সুচি্রার ছবি দেখাচ্ছে । তিনি আগ্রহ নিয়ে স্ত্রীকে ছবি দেখারজন্যে ডাকছেন । এই জ্দ্রলোক একা কোনো ছবি দেখতে পারেন না। ছবিদেখার সময় তার আশেপাশে সবসময় কাউকে না কাউকে লাগে । এক সময়দর্শকের সন্ধানে তিনি বারান্দায় উকি দিয়ে শওকতকে দেখে বললেন, তুমি কখনএসেছ ?শওকত উঠে দীড়াতে দীড়াতে বলল, বেশিক্ষণ হয় নি।তুমি চুপি চুপি বারান্দায় এসে বসে থাকবে__ এটা কেমন কথা! তোমাকেচা-টা দিয়েছে?জি।জি দেখা হয়েছে। ও আমাকে নিয়ে কোথায় যেন যাবে__ এই জন্যে খবরদিয়েছে । মনে হয় তৈরি হচ্ছে।মতিযুর রহমান বললেন, মেয়েদের তৈরি হওয়া তো সহজ ব্যাপার না।ঘণ্টা দুই লাগবে । এই ফাকে এসো একটা ছবি দেখে ফেলি । উত্তম-সুচিত্রারছবি । আগে দেখছ নিশ্চয়ই । সাগরিকা ।চাচা, ছবি দেখব না।কিছুক্ষণ দেখ । একা ছবি দেখে মজা নাই । আনিকার সাজ শেষ করে বেরহতে দেরি আছে । আমার মেয়েদের আমি চিনি না! এদেরকে হাড় মাংসে চিনি।শওকত ছবি দেখতে বসল । মতিয়ুর বহমান ছবি দেখতে দেখতে ক্রমাগতকথা বলতে থাকলেন ।মিতুর ঘটনা শুনেছ ?জি-না।অতি হারামি মেয়ে । বান্ধবীর জন্মদিন । রাতে বান্ধবীর সঙ্গে না থাকলেবান্ধবী না-কি কাদতে কাদতে মরেই যাবে । তারপর কী হয়েছে শোন। কাজীনজরুলের কবিতা__ পড়বি পর মালীর ঘাড়ে/ সে ছিল গাছের আড়ে। সেইবান্ধবী সকালে বাসায় উপস্থিত । আমি বললাম, মা, জন্মদিন কেমন হলো ? সেইমেয়ে অবাক হয়ে বলল, কিসের জন্মদিন চাচা £ এইদিকে মিতু আবার চোখইশারা করতে করতে বলছে__ তোর জন্মদিনের কথা হচ্ছে। এ যে কালরাতসবাই মিলে তোর বাসায় সারারাত হৈচৈ করলাম । মিতুর বান্ধবী গেল আরোস্