Jokhon Giyeche Dubey Ponchomir Chand

মূল রচনা থেকে অংশ:

সরাবার কাজ এখন শুরু করতে হবে। আমি শোবার ঘরে ঢুকলাম । রুবা ঠিকআগের ভঙ্গিতে শুয়ে আছে। শুধুই একটা আজে-বাজে ধরনের ভয়ে এতক্ষণছাডলাম। বাতাসে রুষার মাথার টুল উড়ুছে। সেই চুলের দিকে তাকিয়ে হঠাৎভয়াবহ ধরনের চমক খেলাম । রুবা তো এভাবে শুয়ে ছিল না। আমি তার মুখদেয়ালের দিকে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম । সে পাশ ফিরল কীভাবে? তার চোখওখোলা। চোখ তো বন্ধ ছিল। চোখ খোলা হলেও এই চোখ জীবিত মানুষেরনয়। চোখে পলক পড়ছে না। রুবা পলকহীন চোখে তাকিয়ে আছে মেঝেরদিকে। না না, মেঝের দিকে না। সে তো আমার দিকেই তাকিয়ে আছে। একটুআগেই তো দেখেছি মোঝের দিকে তাকিয়েছিল। 50177601116 15 107.১0)9011078 15 ৬91) %০1/ ৬1 ৮1018. গরম লাগছে। আমার কপালেবিন্দু-বিন্দু ঘাম জমছে। আমি কি ভয় পাচ্ছি? মানুষের ভয় পাওয়ার একটা শেষসীমা আছে । আমি কি সীমা অতিক্রম করতে যাচ্ছি?হে মানব সন্তান ।তুমি সীমা অতিক্রম করিও না।তি আমি পছন্দ করি না।' সীমা এইগুলি কার কথা? কোরান শরীফের? কোন সূরায় আছে?নঃশব মিলার রতো পদ হলো। কে নিশ্বাস ফেলা রুবা ? মৃত মানুষ সর শব্দ | কিংবা... | আমি নিজের অজান্তেই ডাকলাম, রুবা!সঙ্গে সঙ্গে কেউ একজন বলল: উ।না না, রুবা এটা বলতেই পারে না। এ তো তার মুখ হা হয়ে আছে৷লিহবা খানিকটা বের হয়ে আছে। পলকহীদ চোখে সে তাকিয়ে সা হয়েছে। আমার মাথা এলোমেলো হয়ে গেছে। আমাকে যা করতে হবে তা