Krishno Pokkho

মূল রচনা থেকে অংশ:

কারণেই সব খাবার-দাবার দিয়ে দিয়েছি । সবচে" ইম্পর্টেন্ট জিনিস রেখেছি তোষকের নিচে।ইম্পর্টেন্ট জিনিসটা কি বলতো?'জানি না।'“বিয়ের রাতেই তুমি নিশ্চয়ই প্রেগনেন্ট হতে চাও না ? যাতে না হতে হয় সেই ব্যবস্থা।এটাও ভাই আমাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ফসল । এখন তুমি আমাকে অসভ্য ভাবছ । পরেআমাকে থ্যাংস দেবে । বুঝলে %অরু কোন কথা বলেনি । কথা বলতে ইচ্ছে করেনি । মুহিব যে এক ঘণ্টা থাকবে না সেইএক ঘণ্টা তার কি করে কাটবে ভেবেই অস্থির লাগছে । তাছাড়া মাথা ধরাটা বাড়ছে । নির্ধাৎ জ্বরএসে গেছে । বমি বমি ভাবও হচ্ছে ।মুহিব তার দুলাভাই ইস্ট এশিয়াটিক লিমিটেড-এর জেনারেল ম্যানেজার শফিকুর রহমানসাহেবের ঘরের দরজা ফাক করে মাথা ঢুকাল।শফিকুর রহমান বললেন, অপেক্ষা কর। আমি তোমাকে ডাকব । বলেই তিনি হাত ঘড়িরদিকে তাকালেন। সাতটা পাচ বাজে । মুহিবকে সাতটায় আসতে বলেছিলেন। সে পাচ মিনিটদেরি করে এসেছে।শফিকুর রহমান সাহেবের এই অফিস ঘরটি বেশ জমকালো । ওয়াল টু ওয়াল কার্পেটবিশাল আকৃতির সেব্রেটেরিয়েট টেবিলে তিনটা টেলিফোন । একটা টেলিফোনের রঙ লাল। মনেহয় কোন মিনিস্টারের ঘর। এয়ার কুলার আছে। এই শীতেও এয়ার কুলার চালু করা। বিজবিজ শব্দ হচ্ছে। মাথার উপর খুব আস্তে ফ্যান ঘুরছে । শফিকুর রহমান মাঝে মাঝেই রাতন'টা-দশটা পর্যন্ত অফিস ঘরে থাকেন।একজিকিউটিভ বস বানানোর জন্যে বিশেষ করে তৈরি করেছেন। তাদের গলার স্বর এয়ারকুলারের হাওয়ার মতই শীতল । মেজাজও শীতল, তবে সেই শীতল মেজাজের সামনে এসেদাড়ালে বুকের রক্তও শীতল হয়ে যায়।পৃষ্ঠা - ১৩