Krisnapakkha

মূল রচনা থেকে অংশ:

ঠিক সাতটা কুড়ি মিনিটের সময় শফিকুর রহমান বেল টিপলেন। মুহিব দরজা খুলে ঢুকল।তিনি বিরক্ত গলায় বললেন, তোমাকে ডাকিনি, তুমি বস। যথাসময়ে ডাকব। বেয়ারাকেডেকেছি চা দেবার জন্যে ।“একটা কাজ ছিল দুলাভাই ।"“আমিও তোমাকে কাজেই ডেকেছি। অকাজে ডাকিনি। অপেক্ষা কর।'মুহিব ঘর থেকে বেরিয়ে ওয়েটিং রুমে বসল।টেলিফোনে যোগাযোগের জন্যে এই সময়টাই উত্তম। কিছু জরুরী ট্রানজেকশন টেলিফোনেরমাধ্যমেই হবে। এল সি সংত্রীন্ত কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছে ।রাত আটটায় মুহিব আবার উকি দিল। ক্ষীণ গলায় ডাকল, দুলাভাই ।শফিকুর রহমান ফাইল দেখছিলেন। ফাইল থেকে চোখ তুললেন না। মুহিব বলল, আমারখুব জরুরী একটা কাজ ছিল।শফিকুর রহমান শীতল গলায় বললেন, তোমার সঙ্গে জরুরী কথা আছে বলেই তোমাকেআসতে বলেছি। গসিপ করার জন্যে ডাকি নি। তারপরেও তুমি যদি মনে কর তোমার কাজঅসম্ভব জরুরী তাহলে চলে যেতে পার। তোমাকে বেধে রাখা হয়নি।তিনি টেলিফোন তুলে ডায়াল করা শুরু করলেন। মুহিব ফিরে গেল আগের জায়গায় । তারমুখে থুথু জমতে শুরু করেছে, অসম্ভব রাগ লাগছে । ইচ্ছে করছে পুরো অফিসটা প্ট্রেল দিয়েপুড়িয়ে দিতে । তার সামনেই এসট্রে তবু সে ইচ্ছে করে কার্পেটে সিগারেটের ছাই ফেলছে।অফিস গ্যাটে্ড্টে রফিক মিয়ার অবস্থাও তার মত। সাহেব অফিসে আছেন বলে সেওযেতে পারছে না। শুকনো মুখে হাঁটাহাঁটি করছে । কিছু করার নেই বলেই বোধহয় মুহিবকে এসেজিজ্ঞেস করল, এই বংসর শীত কেমন বুঝতেছেন স্যার £ মুহিব কোন কথা বলল না যদিওতার বলতে ইচ্ছে করছে - কাছে আস রফিক মিয়া, তোমার গালে একটা চড় দেই । চড় খেলেবুঝবে শীত কত প্রকার ও কিকি?অনেকক্ষণ বসিয়ে রাখলাম । তোমাকে কি কফি দেয়া হয়েছে ?ঘ্বি।পৃষ্টা - ১৪