Nabani

মূল রচনা থেকে অংশ:

বাধিয়েছে কি-না কে জানে। ইরার ধারনা ঘোরতর সমস্যা। তাকে না-কি গোপনেবলেছে!আমি বারান্দায় খানিকক্ষণ একা-একা দীড়িয়ে রইলাম। বাবাকে দেখে মনেহচ্ছে তিনি ইজিচেয়ারে ঘুমিয়ে পড়েছেন। তার কোলের উপর রাখা খবরের কাগজফর ফর করে বাতাসে উড়ছে। তিনি দুপুরে অনেকক্ষণ ঘুমান। আজ নে সুযোগহয়নি।বান্নাঘর থেকে কুড়ি নাড়ার শব্দ আসছে। আঘি রান্নঘরের দিকে যাচ্ছি।আমাদের এ বাড়িট। হিন্দুবাড়ি। আমার দাদা এই বাড়ি জলের দানে এক হিন্দুবান্মণের কাছ থেকে কিনেছিলেন। বেচারা এত সম্তায় একটিমাত্র কারণেই বাড়িবিক্রি করে __ দাদাজান যেন তার ঠাকুরঘরটা যে রকম আছে সে রকম রেখে দেন।সেই ঠাকুরঘরটাই আমাদের এখনকার রান্নাঘর ।মা আমাকে দেখেই বলল, তুহ এখানে কেন? যা ভো।যা।আমি বললাম, একা-একা কি করছ? আমি তোমাকে সাহায্য করি।'কোন সাহায্য লাগবে না। তুই দরজা বন্ধ ঘরে চুপচাপ খানিকক্ষণ শুয়ে থাক।'দুষ্টা তরকারি নেমেছে। চেখে দেখবি?লা)আমি নরম গলায় বললাম, “মা, আমি বসি তোমার পাশে?“ধোয়ার মধ্যে বসতে হবে না। তুই যা।'আমি বুঝতে পারছি মা'র প্রচণ্ড পরিশ্রম হচ্ছে। কিন্তু তার চোখে-মুখেপরিশষের ক্লান্তি নেই। মনে হচ্ছে তিনি খুব আনন্দে আছেন। প্রয়োজন হলে আজসারারাত তিনি রান্না করতে পারবেন।'নবনী ॥'জ্বিমা।'বৃষ্টি হবে নাকি রে মা'বুঝতে পারছি না। হবে মনে হয়। আকাশে মেঘ জমছে।''অবশ্যই বৃষ্টি হবে। শুভদিনে বৃষ্টি হওয়া খুব সুলক্ষণ। তোর বাবা কি করছেঘুমুচ্ছে।'তুইও শুয়ে ঘুমিয়ে পড়। যা এখন। চা খাবি? বানিয়ে দেব এক কাপ? পানিগরম আছে।“দাও, বানিয়ে দাও। দু' কাপ বানাও মা। তুমি নিজেও খাও”মা কেতলিতে চা-পাতা৷ ছেড়ে দিলেন! মা'র রান্না-বান্না দেখার মত ব্যাপার । টি