মূল রচনা থেকে অংশ:
“কী সর্বনাশ! ভুমি আগে বলবে তো?ভিকি সাবধানে রিভলভারুটি নামিয়ে রাখল । শুকনো গলায় বলল, “তোমারকাগজপত্র কী আছে দেখি।'লোকটি কাগজপব্রের একটা চামড়া-বাধানো ফাইল নামিয়ে রাখল । ভিকিপ্রথমবারের মতো পূর্ণদৃষ্টিতে তাকাল লোকটির দিকে ।লোকটি ইতালিয়ান নয়। বিদেশী । গায়ের চামড়া কালো। পুরু ঠোট । বড় বড়চোখ । অভ্ভুত একধরনের কাঠিন্য আছে! কোথায় সে কাঠিন্যটি তা ধরা যাচ্ছে না.ভিকি নিচুস্বরে বলল, “তুমি কি কখনো মানুষ মেরেছ?হ্যা?”ভিকির গা শিরশির করে উঠল্।কতজন মানুষ মেরেছি?“এর উত্তর জানা কি সতি প্রয়োজন?“না-না, উত্তর না দিলেও হবে। এমনি জিজ্ঞেস করলাম ।'ভিকি ফাইল খুলল ।নাম : জামশেদ হোসেন ।বয়স : ৫৫ভিকি অকেক্ষণ নামটির দিকে তাকিয়ে রইল । কী অদ্ভুত নাম!“তোমার দেশ কোথায়?'“ফাইলে লেখা আছে) ফাইল খুললেই পাবে।'হ্যা, লেখা আছে ফাইলে । পরিষ্কার সব লেখা | লোকটি কথাবার্তা বেশি বলতে চায়না। এটা ভালো । ব্ডিগার্ড এরকমই হওয়া উচিত । ভিকি পড়তে শুরু করল ।জাতীয়তা : বাংলাদেশী ।“সেটি আবার কোন দেশঃহিয়া ও বার্মার মাঝামাঝি ছোট্র একটা দেশ।'“তোমার পাসপোর্ট আছে? ইতালিতে যে আছ তার কাগজপত্র আছেঃ''আছে।'“কী ধরনের কাগজপত্রঃ'লোকটি গশ্ভীর স্বরে বলল, “আমি ফ্রেঞ্চ লিজিওনে দীর্ঘদিন ছিলাম | তারপরকিছুদিন ছিলাম ইতালিয়ানদের সঙ্গে জিরান্ডায়, আলজিয়ার্সে। আমার কাগজপত্র সেইসূত্রে পাওয়া ।ভিকি অবাক হয়ে বলল, 'আলজিয়ার্সে কিসে ছিলে?'ফার্ট প্যারাট্ট্রুপ রেজিমেন্ট ।“বল কী! তুমি বাংলাদেশের লোক হয়ে লিজিওনে ঢুকলে কী করে?লোকটি জবাব দিল না। ভিকি বলল, “লিজিওনে ঢোকার আগে তুমি কোথায়ছিলে?"শি
Recent Comments