মূল রচনা থেকে অংশ:
গছমস'আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখ _- দারুণ বৃষ্টি হবে। ঝমবসিয়ে একটা বৃষ্টি'মন বিশেষজ্ঞ হলি কবে থেকে?'অনেক দিন থেকে । আমি নিজেই রোগি, নিজেই ডাক্তার। আমার নিজের মনকীভাবে খারাপ হয়, কীভাবে ভাল হয়, তা আমি মনিটার করি। ঘনিটার করতেকরতে আমার এখন একধরনের ক্ষঘতা হয়েছে। মন ভ্ঞাল করার কৌশল আমারচেয়ে ভাল কেউ জালে না।” র'বৃষ্টি নাঘলেই আমার মন ভাল হয়ে যাবে?ইয়েস ম্যাডাম ।'“তোর মন হয়তে। ভাল হবে। কিন্তু সবার মন তো আর তোর মতো না! আমর।সবাই আলাদা আলাদা ।''আলাদ| হলেও এক ধরনের মিল আছে। দুঃখ পেলে সবারই মন-খারাপ হয়।সবাই কাদে । কেউ শব্দ করে, কেউ শিঃশাব্দে।জরী ছোট্র নিঃশ্বাস ফেলে বলল, সবাই যে কাদে তা কিন্তু না, কেউ কেউহেসেও ফেলে।আনুশকা চুপ করে গেল। জরী বলল, চা কিন্তু এখনে! দেয়নি। লোকটাকেদেখে মনে হচ্ছে সে দেবে না। দেখ দেখ, কী বিশ্রী করে তাকাচ্ছে!আনুশকা বলল, কী ব্যাপার, এখনো যে চা আসছে না?ম্যানেজার বলল, একবার তো বলেছি এগারোট। বাজে, সব বন্ধ।'আমরা কিন্তু চা না খেয়ে যাব না।'ম্যানেজার মনে মনে তার প্রিয় গালটা দিল। আফসোস, এরা শুনতে পাচ্ছে না।শুনতে পেলে দৌড়ে পালিয়ে ষেত। সে যেখানে বসেছে সেখান থেকে মেষে দুটিকেপরিষ্কার দেখা যাচ্ছে না। তাতে অনুবিধা নেই। পেছন দিক থেকে একজনেরপেটের খানিকটা অংশ দেখা যাচ্ছে। ফর্সা পেট দেখতে ভাল লাগছে। এখান থেকেঅনুমান করা যায় গোটা শরীরটা কেমন।আনুশকা ম্যানেজারের দিকে তাকিয়ে আবার বলল, কী, চা দেবেন না?ম্যানেজার বলল: না।আনুশকা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “না” শব্দটা শুনতে কী খারাপ লাখে লক্ষকরেছিস জরী? অথচ এই শব্দটাই আমরা সবচে” বেশি শুনি।'আমরা নিজেরাও প্রচুর বলি।“আমি বলি না। আমি সব সময় “হ্য।” বলার চেষ্টা করি।,8:০০ |২১
Recent Comments