মূল রচনা থেকে অংশ:
“খুব ভালো। খুব সুন্দর,"অনেকগুলো টাকা চলে গেল, তবু শখের একটা জিনিস, তাই না ভাবি?“তা তো বটেই।,হাশমত আলির মধ্যেও এক ধরনের সরলতা আছে। এটা লীনার ভালো লাগে।এরা সুখেই আছে। নিজেদের নিয়ে আনন্দে আছে। পৃথিবী সমাজ টমাজ এইসবনিয়ে বিন্দুমাত্র মাথা ব্যথা নেই। ক্ষুত্র ক্ষুদ্র জিনিসে এরা গভীর আনন্দ খুঁজে পায়।প্রায়ই দেখা যায় অনেক রাতে হাশমত আলি বড়-সড় একটা মাছ কিনে এনেছে। বেনুসেই মাছ কাটিছে। হাশমত আবি উবু হয়ে তার সামনে বসে আছে। মাছটা কী রকম,সেই নিয়ে গবেষণা হচ্ছে'পৃকুরের মাছ, কী বল বেনু? রউটা কেমন কালো দেখ না। শ্যাওলার নিচে থেকেকালো হয়ে গেছে। নদীর মাছ হলে লাল তৃত। তেলটা ঠিক আছে কিনা দেখ তো।:“ঠিকই আছে।'“তেল দিয়ে বড়া বানাতে পারবে। মাছের তেলের বড়া_ তার স্বাদই অন্যরকম।দুটো বড় করে পিস কাট। ভেজে লীনা ভাবিদের দিয়ে এসা।;শুরা বোধ হয় আয়ে পড়েছে। সকালে দেবু।''আরে না এখনই দীও। টাটকা জিনিসের একটা আলাদা ব্যাপার আছে।*গভীর রাতে প্রেটে ভাজা মাছ নিয়ে হাশমত আলি নিজেই দ্রজা ধাদ্ধায়, "ভাবিঘুমিয়ে পড়লেন না কি? ও তাবি, ভাবি।:পরিফার বোঝা যায় এই পরিবারটি লীনাদের বেশ পছন্দ করে। কেন করে সেওএক রহস্য। এতদিন একসঙ্গে আছে, এর মধ্যে একদিনও নাটক দেখার ব্যাপারেকোনো আগ্রহ দেখায় নি। হাশমত আলি অবশ্যি প্রায়ই বলে, "একদিন যাব। বুঝলেনভাবি, আপনাদের কাণ্ডকারখানা দেখে আসব। মেয়েটাকে নিয়ে হয়েছে মুশকিল।সারাক্ষণ ভ্টা-ভ্টা করে। বাচ্চা নিয়ে কি যাওয়া যায় ভাবি? বেনুকে একদিন নিয়েদেখাব। গ্রামের মেয়ে, কিছু তো এই জীবনে দেখে লি।,সিঁড়ির বাতি বোধ হয় আবার চুরি হয়েছে। খুব সাবধানে পা টিপে টিপে উঠতেহচ্ছে। একটা সিড়ি আছে ভাঙা। বাড়িওয়ালাকে কতবার ব্লা হয়েছে। এখনো কিছুকরছে না।লা সন না নিন পরি হার বাণ, এই রাতে এরা কা রাসলেনভাব!'“না একা না। তোমার ভাই নামিয়ে দিয়ে গেছে।'“ভাই আবার গেলেন কই?“তার এক ভাগ্নির অপারেশন।'"ও আল্লা! কী হইছে?কী হয়েছে লীনা নিজেও ভালোমতো জানে ন1। জানা উচিত ছিল। কথাবার্তা শুনেযার ঠিজে জর মাসে “একটা ভিসিপি ভাড়া করে নিয়ে এসেছিভাবি।“তাই নাকি?”
Recent Comments