Sourov

মূল রচনা থেকে অংশ:

লাগল। আপা থমথমে গলায় বলল, "মিলিটারি জীপ দেখেছিস, দেখেছিস। এগ মধে!গল্প করার কী আছে? খবরদার, এই সব নিয়ে গল্পগুজব করবি না। আমি পছন্দকরি না।;“আম্মা জীপটার লক্ষণ বালা লা। এক জায়গার মধ্যে ঘুরাঘুরি করতাছে!“কর্ক। তারা তাদের কাজ করবে, তুই করখি তোর।:“আহ্চ্ছা।'খব্রপার, মিলিটারি নিয়ে আর কোনো কথা বলবি না।?“আইচ্ছা।'আপার বন্তুতা আজরফের মনে তেমন কোনো প্রভাব বিস্তার করতে পারল নাকারণ খানিকক্ষণ পর শীলা এসে বলল, 'আজরফ তাই বলল রাস্তার মোড়ে একটাজীপ ঘোরাঘুরি করছে।'“করুক, তাতে তোমার কী,ওরা অল্পবয়সী মেয়েদের ধরে নিয়ে নেংটা করে একটা ঘরের মধ্যে রেখেদেয়।;বড়ো আপা স্তস্ভিত হয়ে বলল, 'কে বলেছে এই সব?'লুনা। লুনা বলল।'"যাও, নিজের ঘরে যাও। যত আজগুবী কথাবার্তী। বলতে লজ্জাও করে না?'লজ্লা করবে কী জন্যে? আমাকে তো আর নেহটো করে রাখে নি।* শীলাফিক করে হেসে ফেলল!“যাও, ঘরে যাও। তোমার বন্ধু যাবে কখন?"৪ আজ থাকবে আমার সঙ্গে। বাসায় টেলিফোন করে দিয়েছি। মা, তুমি কিন্তুখিচুড়ি করবে রাব্রে। আমর এখন জ্বর নেই।।“ঠিক আছে, তৃষি যাঁও। আজরফকে পাঠিয়ে দিও |?আপা দীর্ঘ সময় কোনো কথা বলতে পারল না। আজরফ যখন দ্বিতীয় ঘার চাদিতে এল তখন শুধু গম্ভীর হয়ে বলল, 'আজরফ, তোমার চাকরি শেষ। কালসকাল শ”টায় বেতনটেতন বুঝে নিয়ে বাড়ি যাবে),পলি আচ্ছা, আম্মা”আজরফকে মোটেই বিচলিত মনে হল না। দিনের মধ্যে কয়েক বার যারচাকরি চলে যায়, তাকে চাকরি নিয়ে বিচলিত হলে চলে শা!দুলাতাই ঠিক ছ'্টার সময় এলেন।পার সব কাজ ঘটি ধরা, সময় নিয়ে খালিকটা বাতিকের মতো আছেপাঁচটায় কোথায়ও যাওয়ার কথা থাকলে চারটা পর্চগশে গিয়ে বাইরে দাঁড়িয়েথাকবেন এবং ঠিক পাঁচটায় ঢুকবেন। অফিসের লোকরা তাঁকে ঘড়িবাবু বলে!০02