মূল রচনা থেকে অংশ:
বাবা একটা ভিজিটিং কার্ড দিয়েছিল সেই কার্ড তিনি ফিরিয়ে দিয়েছেন।কোথায় যেন তার একটা দোকান বা শো-রুম আছে বলেছিল । জায়গাটার নামমনে করতে পারলেন না। শুধু মনে আছে সেই দোকানে জ্দ্রলোকের একআত্মীয় বসে যার চেহারা ফিলোর কোন নায়ক বা নায়িকার চেহারার মত । এইতথ্য দিয়ে কাউকে খুঁজে বের করা নিতান্তই অসম্ভব ব্যাপার । তারপরেও তিনিতার গ্যাসিসটেন্টকে দায়িত্ব দিয়েছেন__ঢাকার সব কটা স্কুলে সে যাবে সেখানেহারুন অর রশিদ নামে এগারো বার বছরের কোন ছেলে আছে কী না খোজকরবে । সেই অনুসন্ধানেও কোন ফল হচ্ছে না।আনিসুর রহমানের জীবন যাপন পদ্ধতিতে সামান্য পরিবর্তন হয়েছে । তিনিএখন আর রাত সাড়ে দশটায় বাসায় ফেরেন না। তিনি ফেরেন রাতএগারোটায় । এই আধঘন্টা সময় গভীর নিষ্ঠায় পাই-এর মান বের করার চেষ্টাকরেন।হলুদ মলাটের একশ" পৃষ্ঠার একটা বাঁধানো খাতা তিনি কিনেছেন । খাতারপাতার অর্ধেকের বেশি লিখে ফেলেছেন। অংক এখনো চলছে। কাজটা করেতিনি আনন্দ পাচ্ছেন। দশটা বাজার পরপরই তিনি অস্থির বোধ করেন কখনঅংক শুরু করবেন । খাতাটা তিনি বাড়িতে নেন না। অতি মুল্যবান বস্তুর মতচেম্বারে ড্রয়ারে তালাবদ্ধ করে রাখেন । খাতা বিষয়ে বা অংক বিষয়ে তিনি কারোসঙ্গেই কোন কথা বলেন না। মাঝে মাঝে তীর স্ত্রী উদ্বিগ্ন হয়ে প্রশ্ন করেন,তোমার কি কোন সমস্যা যাচ্ছে ! তোমাকে সব সময় অস্থির লাগে কেন?তিনি হড়বড় করে বলেন, কই অস্থির নাতো ।রাতে মনে হয় তোমার ভাল ঘুম হয় না। প্রায়ই শুনি তুমি বিড়বিড় করছ।আমার ঘুমের কোন সমস্যা নেই।একজন ডাক্তার কি দেখাবে ?খামাখা কেন ডাক্তার দেখাব ।তাহলে চল কিছুদিন বাইরে থেকে ঘুরে আসি।চল যাই । কোথায় যেতে চাও ?মালয়েশিয়া যাবে ? শুনেছি খুব সুন্দর জায়গা ।যেতে পারি।গেলেন । খাতাটা সঙ্গে নিলেন না । পনেরো দিন আনন্দ করেই কাটালেন । দেশেফিরে আবার সেই আগের রুটিন । তবে অংক করার সময় আরেকটু বাড়ালেন।১৪
Recent Comments