Tetul Bone Jochna

মূল রচনা থেকে অংশ:

বসে থাকেন তখনও মনে হয় সামনের মানুষটাকে ধম়কাচ্ছেন ।লোকজনদের সঙ্গে কথা বলার জন্যে তার দুণ্টা ঘর আছে। একটা হলোবাংলা ঘর-_ সাধারণ পরিচিতজনরা সেখানে বসে । আরেকটা হলো ভেতরবাড়ির দিকের একটা ঘর যার নাম মাঝলা ঘর । মাঝলা ঘর ঘনিষ্ঠ জনদেরজন্যে । মাঝলা ঘরে বিরাট খাট পাতা আছে । অতিথিদের খাটে পা তুলে উঠেবসতে হয়। তিনি একা কাঠের একটা চেয়ারে বসেন। চেয়ারের সামনেজলচৌকি। তিনি পা তুলে দেন জলচৌকিতে।আনিস ভেবেছিল চেয়ারম্যান সাহেবের মাঝলা ঘরে গিয়ে দেখবে ঘরভর্তি লোক । সব সময় তাই থাকে । আজ ঘর ফাঁকা । জহির উদ্দিন খী গন্তীরমুখে পান চাবাচ্ছেন। ঠোটের ফাক দিয়ে পানের লাল পিক গড়াচ্ছে। চেয়ারেরহাতলে রাখা গামছায় পানের পিক সুছছেন ।ডাক্তার আছ কেমন £জ্বিভালো।গজব হয়ে গেছিল__- এমন ঝড় আমি জীবনে দেখি নাই । এই যে বুকধড়ফড় শুরু হয়েছে এখনো কমে নাই । আয়াতুল কুরশি পড়ার চেষ্টা করছিলামভয়ের চোটে সূরা ভুলে গেলাম । যতই চেষ্টা করি মনে আসে না। তুমি আসারআগে আগে মনে পড়েছে। তিনবার পড়েছি। পা তুলে আরাম করে বসডাক্ান্ন |আনিস পা তুলে বসল ।একটা বালিশ নিয়ে হেলান দাও । তোমাকে আমি অত্যন্ত শ্্রেহ করি এইটাবোধহয় তুমি জান না। আমার রাগ যেমন বেশি, ন্নেহও বেশি । ফাজিললোকজন রাগটা দেখে, স্নেহ দেখে না। তোমার মনটা খারাপ কেন £মন খারাপ লা।বোমা আবার কবে আসবে ?সামনের সপ্তাহে আসার কথা। তার তো ইউনিভার্সিটি খোলা । ইচ্ছাথাকলেও ইউনিভার্সিটি ফেলে আসতে পারে না।হলো তাদের স্কামী। এর বাইরে কোনো ইউনিভার্সিটি নাই । বৌমাকে আসারজন্যে চিঠি দিয়ে দাও। এই বাংলা মাসের একুশ তারিখ ধলা গ্রামে আড়ংহবে__ ষাড়ের লড়াই । শহরের মেয়ে এইসব তো দেখে নাই । দেখলে মজা-২৯