মূল রচনা থেকে অংশ:

সবাই একেবারে চুপচাপ। শুধু সেই বাচ্চাটার মুখ বন্ধ করে কান্না শোনাযাচ্ছেসময় যেন কাটতেই চায় না। প্লেনটা যেন যাচ্ছে তো যাচ্ছেই।এর মধ্যে একজন হাইজ্যাকার ফস করে একটা সিগারেট ধরিয়ে ফেলল।আজকাল সব প্লেনে ধূমপান খুব কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। বাথরুমে গিয়েকেউ সিগারেট ধরালেও ধরা পড়ে যায়। হাইজ্যাকাররা কোনও নিয়মকানুনমানছে না।কাকাবাবু একবার ভাবলেন, ওকে একবার টেঁচিয়ে বললে কেমন হয় যে,“আযাই, তুমি প্লেনে সিগারেট খাচ্ছ। তোমার পাঁচশো ডলার ফাইন হবে।,কাকাবাবু অতি কষ্টে নিজেকে সংযত করলেন। এখন রসিকতার সময়নয়, এরা রসিকতা বুঝবেও না। হয়তো দুম করে গুলি চালিয়ে দেবে।এরকম অবস্থায় বই পড়তেও মন বসে না।কাকাবাবু মনটাকে অন্য দিকে ফেরাবার জন্য মনে মনে কবিতা বলতেচাইলেন। কোন কবিতা? রবীন্দ্রনাথের কবিতা কাকাবাবুর খুবই ভাল লাগে।কিন্তু তাঁর সবচেয়ে প্রিয় সুকুমার রায়ের লেখা।মানুষের মন অতি বিচিত্র। কখন যে কোনটা মনে পড়ে তার কোনও ঠিক-ঠিকানা নেই।কোনও কবিতার বদলে তার মনে পড়ল, সুকুমার রায়েরই লেখা একটাগান। “লক্ষণের শক্তিশেল” নাটকের। কাকাবাবু নিজে স্কুলে পড়ার সময় এইনাটকে অভিনয় করেছিলেন। তাই অনেক গান তার এখনও মনে আছে।একটা গান এইরকম:“অবাক কলে রাবণ বুড়ো-_যষ্টির বাড়ি সুগ্রীবে মারিকল্পে যে তার মাথা গুড়োঅবাক কলে রাবণ বুড়ো।(আহা) অতি মহাতেজা সুণ্রীব রাজাঅবাক কলে রাবণ বুড়ো!মনে মনে এইটুকু গাইতেই কাকাবাবুর হাসি পেয়ে গেল, ণযষ্ঠি” মানেতো লাঠি। রাবণ কি হাতে লাঠি নিয়ে যুদ্ধ করতে এসেছিলেন? রাবণের তো৪৬৬