মূল রচনা থেকে অংশ:

“পোকা চাই । পোকা চাই । পোকা চাই ।'বাবলু স্তশ্তিত হয়ে গেল | লোকটি বলল, “মানুষ যেভাবে কথা বলে এরাকিন্তু সেভাবে কথা বলে না । ডানার সঙ্গে ডানা ঘসে শব্দ করে । ভাবের আদান-প্রদানের কত অদ্ভুত ব্যবস্থাই না প্রাণিজগতে আছে !বাবলু তার কথায় কান দিচ্ছিল না। কারণ, সে পরিষ্কার শুনতে পেলজামণাছের একটি পাখির বাসা থেকে ফিসফিস করে কথাবার্তা হচ্ছে ।'আহা, এই লোক দু'টি কি বকবক শুরু করেছে £ ঘৃযুতে দেবে না নাকি £ঠিক বলেছ! মানুষদের মধ্যে কাণুজ্ঞান বলে কিছুই নেই। এগুলোমহাবোকা |বলতে বলতে পাখিগুলো খিকধিক করে হাসতে লাগল |লোকটি বলল, 'বাবলু যন্ত্রটি এবার খুলে ফেলা যাক। তোমার অভ্যাস নেইতো, মাথা ধরে যাবে ।বাবলু বলল, “আমি যদি এখন ওদের সঙ্গে কথা বলি ওরা আমার কথাবুঝতে পারবে 2.দু" একটা কথা বুঝতে পারে । তবে বেশির ভাগই বুঝবে না। ওদেরবুদ্ধিবৃত্তি নিম্নস্তরের 1 অবশ্যি সবার না । পৃথিবীতে অনেক বুদ্ধিমান প্রাণী আছে।যেমন ধরো তিমি মাছ ।,তিমি মাছ বুদ্ধিমান £'অত্যন্ত বুদ্ধিমান । শুধু হাত নেই বলে যন্ত্রপাতি তোরি করতে পারে না।ডলফিনও খুব বুদ্ধিমান । ওদের যদি হাত থাকত তাহলে পৃথিবীর চেহারা পাল্টেযেত |“ওদের হাত নেই কেন ?প্রকৃতির খেয়াল! প্রকৃতির খেয়ালিপনার জন্যে তিমি এবং ডলফিনেরমতো বুদ্ধিষান্‌ প্রাণীদেরও পশুর মতো জীবনযাপন করতে হচ্ছে?হইয়েৎসুন একটি ছোট্ট নিশ্বাস ফেলে যন্ত্রটা বাবলুর কাধ থেকে নিয়ে নিল।"এবার তোমার ব্যাপারটা চিন্তা করা যাক । কী ঠিক করলে £ জাহাজেরখালাসি হবে ?'লা।'তবে কি? অন্ধকারে জামগাছের নিচে বসে থাকবে ?উহু । আমি আপনার সঙ্গে যাব ।'“তাই বুঝি ??জবি”915