মূল রচনা থেকে অংশ:
করবেন না, কারণ ভার| ডি এন এ প্রিন্ট আউট দেখেছ বুঝবেন -_ এ পরীক্ষায়কখনোহ তেখন তাল বাববে না। প্রতিদিন একটা করে প্রাইভেট টিষ্টটর গুলেখাইয়ে দিলেও লাভ হবে না। সেই সময় একটি শিশুর দ্ধন্মের পর পরই সবাইজানবে, বড় হয়ে এ হবে অন)দের চয়ে একটু আলাদা। সে দোছনা দেখলেঅভিভূত হবে, বষ্টি দেখলে আভভূত হবে, সারাক্ষণ তার মথায় খেলা করবে _-অন্য এক বোধ!ব্যাপারটা হয়ত খুব সুখকর হবে না, কারণ তখন মানুষের ভেতর নহস) বলেকিছু থাকবে না| একজন অন্য একজনকে পড়ে ফেলবে খোলা বহয়ের মত।মানুষের সবচে' বড় অহংকার হল, সে বই পয়। ত্রাকে কখনে৷ পড়া যায় না।ভায়পরেও মানুষকে বই ভাবতে আমার ভাল লাগে। একেকজন মানুষ যেনএকেবাটা বই। কোন বু সহজ তড়তড় বরে পড়া যায়। ফোন বই অসম্ভব জটিল।আবার কোন কোন বইয়ের হরফ অন্রান|। সেই বহু পড়তে হলে আগে হফবুঝতে হবে। আবার কিছু কিছু বই আছে খার পাতাগুলি শাদা। কিচ্ছু সেখানেলেখ! নেই। বড়ই রহস্যময় সে বঙ্ু।আমার নিঞ্েব বহটা কেন? খুব জটিল নয় বঙ্েই আমার ধারণ|। সরলভাষায় বইটি লেখা। যে কেউ পড়েই বুঝতে পারবে।কিন্ত সতি) কি পারবে?সারলোযর ভেতরেও তো থাকে ভয়াবহ জটিলতা । যেখানে আমি নিইনিজেকে বুঝতে পি ন| সেখানে বাইরের কেউ আমাকে কি বারে বুঝবে?আমার নিজের অনেকটাই আমার কাছে অজানা। কিছু কিছু কাজ 'আমিকরি __ কেন করি নিজেই জানি না। অন্য কেউ আমলে, দিয়ে কারয়ে নেয় বলেমাঝে মাঝে মনে হয়। আমার এই শ্বীকারেক্তি থকে কেউ মনে শা করেন যে,আমি আমার কর্মকাণ্ডের দায়-দায়িত্ অন্য কোন অজাণা শর্টির উপর ফেলেদেবার চেষ্ট! করছি। আমি ভাল করেই জানি, আমার প্রতিটি বার্শ কাণ্ডের দায়-দায়িত্ব আমার। অন্যের ৭য়।লেখ।লোথিব ব্যাপারটাই ধরা মাবা। অনেকবার আমার মলে হয়েছে,লেখালেখির পুরে| ব্যাপারটা আমার নিয়ন্ত্রণে নেই। পিয়নতরণ ঝরছে অন্য কেউ। যারনিয়ন্ত্রণ কঠিন। যে নিয়ন্ত্রণের আওত| থেকে বের হওয়ার কোন ক্ষমতা আমারনেহ্ | নিজের একট। লেখ থেকে উদাহরণ দেই _ ক্ষঃপশ্চ।মিষ্টি প্রেমের উপন্যাস লিখব __ এই ভেবে শুরু করলাম। শুরুটা হল এহভাবে“নোর্টটা বদলাই্য়। দেন আফা, ছি নোট।"৯৬
Recent Comments