Jibonkrishno Memorial High School

মূল রচনা থেকে অংশ:

“জি -না। আজ না আরেকদিন ।'“আর আরেক দিন। আপনাকে এখন পর্ষস্ত চারটা ডালভাত খাওয়াতেপারলাম না-- এই এক আফসোস-?'“খাব, একদিন এসে খেয়ে যাব ।"“তাহলে বেলের শরবত খেয়ে যান, বেলের শরবত করতে বলছি।'“এই সময় বেল পেলেন কোথায়'আছে, ব্যবস্থা আছে। আপনাকে খাওয়ায়ে দিচ্ছি । যনে থাকবে_- কইরে বেলের শরবত আন । আমার শ্বশুর বাড়ি সান্দিকোনা থেকে আনা । বার-মেসে বেল।অসময়ে বেলের শরবত খাওয়ার কোন ইচ্ছা ফজলুল করিম সাহেবেরছিল না। বাধ্য হয়ে বসলেন । এতে কিছুটা লাভ হল, তিনি তার কাজেরমেয়েটার জন্য একটা শাড়ি কিনলেন। মেয়েটাকে একটা শাড়ি দেয়াদরকার" মনে থাকে না। আজ চোখের সামনে শাড়ি বেচা-কেনা হচ্ছে দেখেমনে পড়ল।মজিদ মিয়া মাথা ঝাঁকিয়ে বলল, “তারপর স্যার, বলেন স্কুলের খবরটাকি?জি খবর ভাল । সরকারি একটা অনুদান পেয়েছি। সাত লক্ষ টাকা....“তাই না-কিঃফজলুল করিম সাহেব বেলের শরব্ত খেতে খেতে সরকারি অনুদানেরইতিহাসটা পুরোটা বর্ণনা করলেন। গল্প শুরু হলো ছাত্রের সঙ্গে দেখা হওয়াথেকে । মজিদ মিয়া এই গল্পে তেমন আগ্রহ বোধ করছিল না । তবু সে বেশমন দিয়েই শুনল ।গল্পের শেষে হেডমাস্টার সাহেব তৃপ্তির নিঃশ্বাস ফেলে বললেন, “স্কুলট!এবার দাড়িয়ে গেল ।'“তাইতো দেখতাছি।''পাকা দালান হবে। হোয়াইট ওয়াশ করে দেব। দূর থেকে চোখেপড়বে....মওলানা বললেন, ইনশাআল্লাহ বলেন স্যার । প্রতিটি স্ৎ নিয়তেরশেষে ইনশাআল্লাহ বলতে হয়। নবী-এ-করিম একবার ইনশাআল্লাহ্‌ নাবলায় আল্লাহ পাক নারাজ হয়েছিলেন-- কোরআন শরীফে এই বিষয়েআয়াত নাজেল হয়েছে।ফজলুল করিম পর পর দু'বার বললেন,_ ইনশাআল্লাহ্‌, ইনশাআন্লাহ্‌।বৃষ্টি আরো বেড়েছে। হেডমাস্টার সাহেবকে পৌছে দেবার জন্যে মজিদমিয়ার নিজস্ব রিকশা চলে এসেছে। রাস্তা ঘোর অন্ধকার । মওলানা সাহেব0)