মূল রচনা থেকে অংশ:
ইরতাজউদ্দিন দীর্ঘশ্বাস ফেলতে ফেলতে বললেন, আমরা সবাই আজিব ।আমি যেমন আজিব, আপনিও আজিব । আল্লাহপাক আজিব পছন্দ করেন বলেইবাসার সবাই দ্বুমে |ঘর অন্ধকার । গেট তালাবন্ধ। ইরতাজউদ্দিন বিরক্ত হচ্ছেন। শহরেরলোকজনের অবিশ্বাস দেখে বিরক্ত | গেটে তালা দেওয়ার দরকার কী ?অনেকক্ষণ গেট ধরে ধাক্কাধাক্কি এবং উচু গলায় “শাহেদ' শাহেদ" বলেচিৎকারের পর ঘরের ভেতরে বাতি জ্বলল। অপরিচিত একজন লোক দরজাখুলে বের হয়ে এসে বললেন, কে ?লোকটা লম্বা ও ফর্সা। গলার্ স্বর মেয়েলি । গলার স্বর শুনে বোঝা যাচ্ছেতিনি ভয় পেয়েছেন।আপনি কে ?আমি ইরতাজউদ্দিন। শীলগঞ্জ থেকে আসছি । এসিসটেন্ট হেডমাস্টার,আরবি ও ধর্ম শিক্ষক । নীলগঞ্জ হাইস্কুল ।কাকে চান ?শাহেদের কাছে এসেছি । আমি শাহেদের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা । আপনাকে সালামদিতে ভুলে গেছি। গোস্তাকি মাফ হয় । আসসালামু আলায়কুম ।লোকটি এতক্ষণ বারান্দায় দাড়িয়ে ছিলেন। এখন দরজার আড়ালে চলেগেলেন। তবে দরজা খোলা, লোকটাকে এখনো দেখা যাচ্ছে! যে-কোনোকারণেই হোক তিনি ভয় পাচ্ছেন। তাকে দেখেও লোকজন ভয় পেতে পারে _এই চিন্তাটা ইরতাজউীদ্দিনকে পীড়িত করছে। কী করে তিনি লোকটার ভয়ভাঁঙাবেন তাও বুঝতে পারছেন না। লোকটা সালামের জবাব দেয় নাই । এটাতো ঠিক না। সালাম হচ্ছে শান্তির আদান-প্রদান ।শাহেদ নামে কেউ এই বাড়িতে থাকেন না ।থাকেন না মানে?উনি চলে গেছেন) আমি নতুন ভাড়াটে ।কোথায় গেছে জানেন?না।কেউ কি জানে ?আমি জানি না কেড জানে কি-না ।৯৮
Recent Comments