মূল রচনা থেকে অংশ:
৮৬.তুধার এবং রাত্রির জন্যে আজ খুব শুভদিন ।আজ বাবা তাদের স্কুলে নামিয়ে দেবেন । মাসে একদিন মহসিন সাহেব তারছেলেমেয়েদেরকে স্কুলে নামিয়ে দেন এবং স্কুল থেকে ফেরত আনেন । ফেরতআনার সময় খুব মজা হয়। বাচ্চারা যা চায় তাই তিনি করেন । তুষার যদি বলে__বাবা আইসক্রিম খাব তাহলে তিনি আইসক্রিম পার্লারের সামনে গাড়ি দাড় করান ।রাত্রি এক বার বলেছিল-___সাভার স্বৃতিসৌধ দেখতে ইচ্ছা করছে বাবা! মহসিনসাহেব বলেছেন__চল যাই, দেখে আসি । তখন ঝামঝম বৃষ্টি হচ্ছে। রাস্তায় পানি।মহসিন সাহেব তার মধ্যেও গাড়ি ঘুরিয়েছিলেন। |আজও নিশ্চয়ই এরকম কিছু হবে । রাত্রি ঠিক করে রেখেছে ফেরার পথে সেবাবাকে বলবে গল্পের বই কিনে দিতে । তুষার এখনো কিছু ঠিক করতে পারে নি।কী চাওয়া যায় সে ভেবে পাচ্ছে না। এই জন্যে তার খুব মনখারাপ।গাড়ি ওঠার মুহুর্তে মহসিন সাহেব বললেন, 'আজ স্কুলে না গেলে কেমন হয় £'তুষার ভেবে পেল না-_বাবা ঠাট্টা করছেন, না সত্যি সত্যি বলছেন ।মহসিন সাহেব বললেন, 'মাঝে মাঝে স্কুলপালানো ভালো । আমি যখনতুষারের মতো ছিলাম তখন ফুল পালাতাম ।'রাত্রি বলল, “সত্যি বাবা £''ইসত্যি।;'ক্কুল পালিয়ে কী করতে £''মার্বেল খেলতাম । আমাদের সময় সবচেয়ে মজার খেলা ছিল মার্বেল। এখনআর কাউকে খেলতে দেখি না। তোমরা কেউ মার্বেল দেখেছ £না।'“চল, দোকানে গিয়ে খুঁজব। যদি পাওয়া যায়, তোমাদের জন্যে কিনব ।কীভাবে খেলতে হয় শিখিয়ে দেব । আজ সারা দুপুর মার্বেল খেলা হবে ।'আনন্দে তুষারের বুক কাপতে লাগল । আজ কী ভীষণ সৌভাগ্যের দিন !স্কুলের ইংলিশ গ্রামার শেখা হয় নি। তার জন্যে আজ আর বকা খেতে হবে না।রাত্রি অবশ্যি তৃধারের মতো এত খুশি হল না। স্কুল তার খুব ভালো লাগে ।স্কুলে তার দু'জন প্রাণের বন্ধু আছে। তাদের সঙ্গে কথা না বললে রাত্রির ভালোলাগে না।অহসিন সাহেব বললেন. “তোমরা যাও, আলোকে নিয়ে এস। ব্যাটালিয়াননিয়ে রওনা হওয়া যাক ।'তুষার বলল, “ও যাবে না, বাবা ।'ঠ//1.০4
Recent Comments