Misir Alir Amimangsito Rahasya

মূল রচনা থেকে অংশ:

কোথায়?“ওসমান গনি সাহেবের ডেড বডি দেখবেন।'“তার কি প্রয়োজন আছে? মৃত মানুষ দেখতে ভালো লাগে না।'"মৃত মানুষ দেখতে কারোরই ভালো লাগে না। আপনাকে আমার সঙ্গে আসতেবলছি__আপনি আসুন।”'চলুশ।'কিছুই মিলছে না। গুলশানের অভিজাত এলাকায় তেতলা বাড়ি। বাড়ির সামনে বিশাললন। ফোয়ারা আছে, মার্বেল পাথরের একটি শিশু ফোয়ারার মধ্যমণি। চারদিক থেকেতার গায়ে পালি এসে পড়ছে। বাড়ির সামনে কোনো ফুলের বাগান নেই। ঘাসে ঢাকালন, ঢেউয়ের মতো উচুনিচু করা। মনে হয়, বাড়ির সামনে ঢেউ খেলছে। বাড়িরপ্যাটার্ন ও জাহাজের মতো। ফুলের বাগান বাড়ির দু'পাশে। দেশিফুলের প্রচুর গাছ।মিসির আলিকে গেটের বাইরে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হল। কড়া পুলিশপাহারা। কেউ ভেতরে ঢুকতে পারছে না। রকিবউদ্দিন তেতরে গেলেন। প্রায় পয়তাল্লিশমিনিট পর ফিরে এসে মিসির আলিকে নিয়ে গেলেন। দোতলার ঘরে নিচু খাটের ওপরতদেহ শোয়ানো। সাধারণত মরা-বাড়িতে হৈচৈ কান্নাকাটি হতে থাকে। এখানে তারূ রা পরম নর শশারপাথরের মতো মুখ করে বসে আছে। মেয়েটি একদৃষ্টিতে মৃতদেহটির তাকিয়েআছে। মেয়েটির মাথার চুল খুব লব্বা। গায়ে উজ্জ্বল সবুজ রঙের শাড়ি। খাটের এককোণায় যিনি বসে আছেন, তিনি সম্ভবত ডাক্তার। সাফারির পকেট থেকেস্টেথেসকোপের মাথা বের হয়ে আছে। মৃত মানুষদের জন্যে কোনো ডাক্তার প্রয়োজনহয় না। উনি কেন আছেন কে জানে। ঘরের ভেতর একজন পুলিশ অফিসার আছেন।তাঁকে একইসঙ্গে নার্তাস এবং বিরক্ত মনে হচ্ছে। তিনি স্থির হয়ে 'এক সেকেডওদীড়াচ্ছেন না।সাধারণত মৃতদেহ চাদরে ঢাকা থাকে। এ-ক্ষেত্রে তা করা হয় নি। মৃতদেহেরমুখের ওপর কোনো চাদর নেই। মিসির আলি বিশ্বিত হয়ে তাকিয়ে আছেন। তাঁরবিশ্বিত হবার সঙ্গত কারণ ছিল।রকিবউদ্দিন বললেন, 'মিসির আলি সাহেব, ভালো করে দেখুন। উনিই কিআপনার কাছে গিয়েছিলেন?"না, উনি যান নি।,'দীত দেখার প্রয়োজন আছে?+ "না, দাত দেখার প্রয়োজন নেই। যিনি আমার কাছে গিয়েছিলেন, তিনি মোটাসোটাধরনের খাটো মানুষ। গায়ের রঙ শ্যামলা ।'পরাস্জ্্ক্আাছশির রান সীলানগা রা ঘন্যানিগারেপাটিকজি,গদিতে বসে থাকা মেয়েটি তীক্ষ গলায় বলল, “এখানে এত কথা বলছেন কেন?কথা ব্ললার জায়গার তো অভাব নেই।”৪৩