Omega Point

মূল রচনা থেকে অংশ:

বড় চোখ । চোখ দেখেই মনে হয় খুব বুদ্ধি । আমেনা বেগম বললেন, নিজেরবাড়ি যনে করে থাকবা ৷ কোন কিছুর প্রয়োজন হলে খবর পাঠাবা ।রফিক মাথা আরো নিচু করে বলল, জি আচ্ছা ।জুম্মাবারে অবশ্যই নাষাজে যেতে হবে | এই বাড়িতে যারা থাকে তারা যদিজুম্মাবারে নামাজে না যায় তাহলে শেফার বাবা খুব রাগ করে।রাঁফক আবারো বলল, জ্বি আচ্ছা ।আমেনা বেগম বললেন, তোমার দেশের বাড়ি কোথায় ?রফিক বলল, আমি ঠিক জানি না ।আমেনা বেগম বিশ্মিত হয়ে বললেন, তুমি জান না মানে কি £ তোমারপিতা-মাতা কোথায় থাকেন ?'এটাও আমি জানি না! ছোটবেলার কোন স্যৃতি আমার নাই। আমি বড়হয়েছি এতিমখানায় ।'আমেনা বেগধ খুবই লজ্জা পেলেন । শেফার বাবা যদি ছেলে প্রসঙ্গে এইকথাগুলি আগে বলে রাখতেন তাহলে তিনি রফিককে এ ধরনের কথা বলে লজ্জাপেতেন না।ছেলেটার জন্যে সেদিন তিনি খুবই কষ্ট পেয়েছিলেন। মনে মনেভেবেছিলেন__তোমার কষ্টের দিন শেষ হয়েছে। এই বাড়িতে তুমি আশ্রয়পেয়েছ এখন তোমার আর চিন্তা নাই । শেফার বাবা অতি বদমেজাজি মানুষ,তবে অতি ভাল মানুষ । সে তোমার একটা না একটা গতি করে দিবে।আমেনা বেগম প্রথমদিন ছেলেটির প্রতি যে মমতা বোধ করেছিলেন আজওসেই মমতা বোধ করছেন, তবে একই সঙ্গে তার বুক কীপছে। তার মন বলছেভয়ংকর এক সময় তার সামনে । তিনি তার মেয়েকে নিয়ে মহাবিপদে পড়তেযাচ্ছেন । আগ্মাহপাক সাহায্য না! করলে তিনি এই বিপদ থেকে উদ্ধার পাবেননা।শেফা আরাম করে দ্বুমুচ্ছে। মায়ের মানসিক যন্ত্রণার কথা মেয়ে কিছুইজানে না। আমেনা বেগম শেফার গায়ে হাত ব্লাখলেন।শেফা বলল, ছটফট করছ কেন মা। তোমার কি হয়েছে।ছটফট করতেছি তোরে কে বলেছে £'কেউ বলে নাই । বুঝতে পারি। মা, রফিক স্যার কি এখনো উঠানেবসা?১২ শর|২