মূল রচনা থেকে অংশ:
আমি আর হাসি থামিয়ে রাখতে পারলাম না! “রোমেরগির্জায় ঠিক এ কথাগুলোই লেখা আছে?বিরক্তিতে পাতলা ঠোট জোড়া পরস্পরের সাথে চেপেধরলেন ফাদার | “স্টান ধর্মের আবির্ভাবের বহু আগে থেকেপ্রাটান মানুষেরা এসব ব্যাপার জানতেন ৷ এটাকে হালকাভাবেনেয়া ঠিক না।' ফাদার নেসান ডোহেনি বক্তা হিসাবে ভালই |আমি দ্রুত তার বাণীর নোট নিয়ে চলেছি । তার অদ্ভুত গল্প দিয়েভাল একটা প্রোগ্রাম বানানো যাবে ।“বলে যান, ফাদার, অনুরোধ করলাম আমি । “মৃতদের রাজ্যেএই পরদা দিয়ে কীভাবে ঢোকা যাবে বলুন তো?”“ক্যাহেরবার্নাহেতে তখন ধর্মযাজক আমি | বয়স অল্প । একমহিলা বাস করত ওখানে । এক রাতে বাড়ি ফিরছে সে, একটাজলধারার পাশে দাড়াল ৷ পানি খাবে ৷ আজলা ভরে পানি পানকরে সিধে হয়েছে মহিলা, কানে ভেসে এল নিচু গলার গান ।একদল লোক আসছিল রাস্তা ধরে, অদ্ভুত একটা গান গাইছিলতারা ৷ গা-টা কেমন কেঁপে ওঠে মহিলার | হঠাৎ লক্ষ করেকাছেই দাড়িয়ে আছে লম্বা এক তরুণ ৷ দেখছে তাকে | তরুণেরচেহারা অন্তুত, বিষপ্ন, বড় বড় চোখ জোড়ায় কোন ভাষা ফুটে নেই ।“মহিলা তরুণের পরিচয় জানতে চাইল । মাথা নাড়ল তরুণ |পরিচয় দেবে না। বলল মহিলার সামনে বিরাট বিপদ | সেতরুণের সঙ্গে পালিয়ে না গেলে শয়তান মহিলাকে শ্রাস করবে ৷মহিলা তরুণের সঙ্গে ছুটতে শুরু করে, তখন রাস্তা ধরে আসাগানের দল “ফিরে এসো!” বলে চেচাতে থাকে । কিন্তু ভয়েরচোটে মহিলার পায়ে যেন তখন পাখা গজিয়েছে । সে ছুটতে থাকেতরুণের সঙ্গে । ছুটতে ছুটতে চলে আসে একটি ছোঁট জঙ্গলেরধারে । দাড়িয়ে পড়ে তরুণ ! বলে এখন তারা নিরাপদ | তারপরসে মহিলাকে তার মুখের দিকে তাকাতে বলে ।“মহিলা মুখের দিকে তাকিয়ে দেখে তরুণ আর কেউ নয়,১২ পিশাচের পালায়
Recent Comments