মূল রচনা থেকে অংশ:
মাগুর, কৈ, তেলাপিয়া | মাহুগুলি আনন্দে আছে। হারুন চৌবাচ্চা আরো বড়করে সেখানে গলদা চিধুড় চাষের চেষ্টা করার ইচ্ছা প্রকাশ করছেন। ব্ূপারাজি হচ্ছে না। সে বলেছে বাড়ির ছাদে পুকুর বানানোর কিছু নেই। ছাদহচ্ছে সুন্দর বেড়ানোর একটা জায়গা | সেখানে মাছ চাষ করতে হবে কেন £হারুন বলেছেন, মাছ কি অসুন্দর ?মাছ অসুন্দর না। চৌবাচ্চা থেকে ছিপ দিয়ে তোমার মাছ ধরাটাঅসুন্দর |অসুন্দরকে বাদ দিয়ে সুন্দর হয় ?বাবা তোমার সঙ্গে আমি বাজে তর্কে যাব না।যাবি নাকেন?কোনো একটা তর্কে গেলেই তুমি টিচার ভাব ধরে ফেল। ক্লাসে বক্তৃতাদিচ্ছ এরকম ভঙ্গি। আর আমি যেন তোমার ছাত্রী । তাও বুদ্ধিমান কোনোছাত্রী না। বোকা ছাত্রী ।রূপা যদিও বলে মাছের চৌবাচ্চা তার খুব অপছন্দ, ঘটনা তানা। সেচোবাচ্চার পাশে খসে মাছ দেখে অনেকটা সময় কাটায় । গত মাসে যাছেরএকটা জল-রঙ ছবি একেছে। ছবিতে একটা ডুবন্ত মাছের গায়ে আলোপ্ড়েছে। ছবির নাম- জন্মে মীন রাশি । পুরো ছবিতে একটাই রঙ ব্যবহারকরা হয়েছে। নীল রঙের নানান শেড ।হারুন ছবি দেখে বলেছেন, নামের অর্থ কি ? জন্মে মীন রাশি বলতে তুইকি বুঝাচ্ছিস £ছবিটা দেখে তোমার কেমন লাগছে সেটা বল! নাম কোনো ব্যাপার না।হারুন ধললেন, দর্শক নামের সঙ্গে ছবি রিলেট করবে । নাম ব্যাপারহবে না কেন? মনে কর আমি একটা গোলাপের ছবি এঁকে ছবির নাম দিলাম₹স ডিস্ব! তার কোনো অর্থ হবে ?বাবা! ধরে নাও ছবিটার কোনো নাম নেই । এখন বল ছবি কেমনলাগছে ।হারুন গন্তীর গলায় বললেন, ছবি দেখে মনে হচ্ছে পেইন্টারের কাছেনীল রঙের একটা টিউবই ছিল। সে তা দিয়েই ছবি আকার চেষ্টা করেছে।চেষ্টা খুব যে সফল হয়েছে তাও না।বাবা তুমি ইতিহাস বুঝ, ছবি বুঝ না।শা
Recent Comments