মূল রচনা থেকে অংশ:
মা বললেন,'প্রাণী কি?"'যারা ভাবতে পারে তারাই প্রাণী |,আমরা কোথেকে এসেছি £.'আমরা কোনো জায়গা থেকে আসি নি। এখানেই ছিলাম ।''মা দুঃখিত হয়ে বললেন,তোমরা এখনো ভাবতে শেখ নি । ভাবনাতে যুক্তি নেই তোমাদের ।'ক্রমে ক্রমে তারা ভাবতে শিখল। কত অদ্ভুত অদ্ভুত সমস্যাই__না মাদিতেন (১) আলো আমাদের কাছে এত প্রিয় কেন ? কেন আমরা আলো ছাড়াভাবতে পারি না £ 0) কেন ঘরগুলির কাছে আমাদের যেতে মানা £তখনো তারা ঘরগুলি দেখে নি, শুধু মায়ের কাছে শুনেছে । দু'টি ঘর আছেআকাশছোৌয়া । সে ঘরের কাছে যেতে মানা । কেন মানা £ মা তা বলবেন না। ভেবেবের কনতে হবে।যেদিন মায়ের শরীর একট ভালো থাকত, সেদিনই নতুন কিছু বলতেন।একদিন তারা গুনতে শিখল | শেখামাত্রই মা একটি সমস্যা দিয়ে দিলেন -“পাচ€খ্যার এমন দুটি রাশি বল, যাকে অন্য কোনো রাশি দিয়ে ভাগ দেয়া যায় না?নীম সঙ্গে সঙ্গে বলল,'যে কোনো রাশিকেই এক কিংবা সেই রাশি দিয়ে ভাগ দেয়া ষায়।''তা যায়। এ দুটি রাশি ছাড়া অন্য কোনো রাশি দিয়ে ভাগ দেয়া যাবে না।'মা মারা যাবার আগে আগে অনেক কিছুই ওরা শিখে ফেলল ৷ আবার অনেককিছু শিখতে পারল না। মা বলতেন, বেশির ভাগ জিনিসই শিখতে হয় নিজেরচেষ্টায়। তোমরা দীর্ঘজীবী । অনেক সময় পাবে শেখবার । মৃত্যুর আগে আগে বলেগেলেন,'একটি কথা সব সময় মনে রাখবে, তোমরা থাকবে একসঙ্গে । তোমাদেরতিনজনের মিলিত শক্তি হচ্ছে অকল্পনীয় শক্তি । আরেকটি কথা, ঘরগুলির রহস্যতার মৃত্যু দেখে ওদের যাতে কষ্ট না হয়, সে জন্যে মা মৃত্যুর ঠিক আগে আগেওদের একটি সমস্যা নিয়ে ভাবতে বললেন, “মৃত্যু কী £ তারা সমস্যা নিয়ে ব্যস্তহয়ে থাকল, বুঝতেই পারল না কখন মা মারা গেলেন ।নীম বেরিয়ে আসতে দেরি করল । অনেকখানি দেরি করল । সুর্য তখন প্রায়মাথার উপর। লী কিছুই বলল না। নীম খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, চলফিরে যাই |!তোমার যা লেখার দেখা হায়োছে £হয়েছে।'পাদ
Recent Comments