Ebong Himu – [1995]

মূল রচনা থেকে অংশ:

হ্যাঁ। আমি যখন বললাম, হিমু ভাই হচ্ছে মহাপুরুষ, তখন হাসতে হাসতে সেপ্রায় বিষম খায়। আজ তার একটা শিক্ষা হবে।'বাদলের চোখে পানি এসে গেছে। ঝালের কারণে চোখের পানি, না আনন্দেরপানি সেটা বোঝা যাচ্ছে না।একেক ধরনের চোখের পানি একেক রকম হওয়া উচিত ছিল। দুঃখের চোখেরপানি হবে এক রকম, আনন্দের পানি অন্য রকম, আবার ঝালের অশ্রু আরেক রকম।প্রকৃতি সূক্ষ্ম সুক্ম আবেগের ব্যবস্থা রেখেছে কিন্তু সব আবেগের প্রকাশ চোখের পানিদিয়ে সেরে ফেলেছে। ব্যাপারটা কি ঠিক হল?দুঃখের চোখের পানি হবে নীল। দুঃখ যত বেশি হবে নীল রং হবে তত গাঢ়।রাগ এবং ক্রোধের অশ্রু হবে লাল। দুঃখ এবং রাগের মিলিত কারণে যে চোখের পানিতার রঙ হবে খয়েরি। নীল এবং লাল মিশে খয়েরি রঙই তো হয়?কাঁটা মুক্তির যে আনন্দ এ বাড়িতে শুরু হল তার কাছে বিয়েবাড়ির আনন্দ কিছুনা। ফুপু ছেলেকে জড়িয়ে ধরে মরাকান্না শুরু করলেন। বাদল যতই বলে, কি যন্ত্রণা!মা, আমাকে ছাড় তো। তিনি ততই শক্ত করে ছেলেকে জড়িয়ে ধরেন।ফুপা আনন্দের চোটে তার হুইস্কির বোতল খুলেছেন। আজ বৃহস্পতিবার ।এমিতেই তার মদ্যপান দিবস। ছেলের সমস্যার জন্যে খেতে পারছিলেন না। এখনডবল চড়াবেন। ফুপা যে দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকাচ্ছেন সংস্কৃত কবিরা সেই দৃষ্টিকেবলেন “প্রেম-নয়ন” ।শুধু ইরার চোখ কঠিন। পাথরের চোখেও সামান্য তরল ভাব থাকে । তার চোখেতাও নেই।রাতে ফুপার বাড়িতে থেকে গেলাম । আজ আমার থাকার জায়গা হল গেস্ট রুমে ।এই বাড়ির গেস্ট রুম তালাবদ্ধ থাকে । বিশেষ বিশেষ শ্রেণীর গেস্ট এলেই শুধু তালাউঠ১৯৪